
খুলনার সময়ের খবর ডেস্ক :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আর নেই। বুধবার রাত ২টা ৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, নুরুজ্জামান বাদলের কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত থাকলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করায় তিনি চিকিৎসার চেয়ে ময়দানের কাজকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিয়েই তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নির্বাচনী এলাকার সাংগঠনিক কাজে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য তিনি দিনের কাজ শেষে রাতে ময়মনসিংহে যেতেন। সেখানে স্বদেশ হাসপাতালে ডায়ালাইসিস শেষ করে পরদিন সকালেই আবার শেরপুরে ফিরে আসতেন। এই অমানুষিক পরিশ্রম এবং শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেই আজ শেষ রাতে তার জীবনাবসান ঘটে। মরহুমের জানাজায় উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদ্য সাবেক শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ পলাশ, সতন্ত্র প্রাণী শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমির, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, শেরপুর ১ আসেনর জামাত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর ২ এর গোলাম কিবরিয়া ভিপি শেরপুর প্রেসক্লাব সেক্রেটারি মাসুদ হাসান বাদল, এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নুরুজ্জামান বাদলের আকস্মিক মৃত্যুতে শেরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেতৃবৃন্দ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং ইসলামি আন্দোলনে তার ত্যাগ ও সাহসিকতার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
